অস্ট্রেলিয়ায় ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের অভিযোগে অভিযুক্ত ব্রিটিশ র্যাপার ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পরিচিত মুখ ইউং ফিলিকে আবারও আদালতের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। তিনটি ধর্ষণের অভিযোগে জুরি বোর্ড কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে না পারায় তার বিরুদ্ধে নতুন করে বিচার অনুষ্ঠিত হবে।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউং ফিলির আসল নাম আন্দ্রেস ফেলিপে ভ্যালেন্সিয়া বারিয়েন্তোস। ২০২৪ সালে অস্ট্রেলিয়া সফরের সময় পার্থ শহরের একটি নাইটক্লাবে অনুষ্ঠান শেষে এক নারী ভক্তকে হোটেল কক্ষে ধর্ষণ ও নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মোট ১০টি অভিযোগ আনা হয়েছিল। গত মাসে জুরি বোর্ড তিনটি ধর্ষণের অভিযোগে তাকে নির্দোষ ঘোষণা করে। একই সঙ্গে একটি হামলা এবং একটি শ্বাসরোধের অভিযোগ থেকেও তিনি খালাস পান।
তবে বাকি তিনটি ধর্ষণের অভিযোগে জুরি বোর্ড একমত হতে পারেনি। ফলে এসব অভিযোগে নতুন করে বিচার হবে।
এছাড়া দুটি হামলার অভিযোগে ইউং ফিলিকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। তবে নতুন বিচার শেষ হওয়ার আগে এসব অভিযোগে তার সাজা ঘোষণা করা হবে না।
কী ঘটেছিল পার্থে?
আদালতে বলা হয়, অস্ট্রেলিয়া সফরে থাকার সময় পার্থের উপকূলীয় এলাকা হিলারিসে একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন ইউং ফিলি। সেখানে এক ২০ বছর বয়সী নারী ভক্তের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরে ওই নারী তার হোটেল কক্ষে যান।
আদালতে ইউং ফিলি দাবি করেন, তাদের মধ্যে পারস্পরিক সম্মতিতে যৌন সম্পর্ক হয়েছিল। তার ভাষ্য অনুযায়ী, পরিচয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে ভালো বোঝাপড়া তৈরি হয়েছিল।
তবে ওই নারীর অভিযোগ, প্রথমে সম্মতিতে সম্পর্ক হলেও পরে ইউং ফিলি সহিংস হয়ে ওঠেন এবং থামার জন্য বারবার অনুরোধ করলেও তা উপেক্ষা করেন।
বিচার চলাকালে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ড্যানিয়েল ক্লার্ক অভিযোগ করেন, মাঝারি মাত্রার খ্যাতি থাকা সত্ত্বেও ইউং ফিলি নিজেকে অধিকারের অধিকারী মনে করতেন এবং ওই নারীকে অত্যন্ত গুরুতরভাবে নির্যাতন করেছেন।
অন্যদিকে ইউং ফিলির আইনজীবী দাবি করেন, অভিযোগকারীর বক্তব্যে অসংগতি রয়েছে এবং সেখানে অতিরঞ্জন ও মিথ্যা তথ্যও আছে।
ইউং ফিলি অবশ্য শুরু থেকেই তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
আগামী ২৭ আগস্ট জামিনের শর্ত পরিবর্তনের আবেদনের শুনানিতে আবার আদালতে হাজির হওয়ার কথা রয়েছে তার। তবে নতুন করে বিচারের দিন এখনো নির্ধারণ করা হয়নি। রাষ্ট্রপক্ষ জানিয়েছে, অভিযোগকারী নারী আবারও আদালতে সাক্ষ্য দিতে রাজি আছেন।
কলম্বিয়ায় জন্ম নেওয়া ইউং ফিলি পরে যুক্তরাজ্যে বেড়ে ওঠেন। তিনি ইউটিউবভিত্তিক দল বিটা স্কোয়াডের সদস্য হিসেবে পরিচিতি পান। এছাড়া তিনি যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন টেলিভিশন অনুষ্ঠানেও অংশ নিয়েছেন ও উপস্থাপনা করেছেন।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউং ফিলির আসল নাম আন্দ্রেস ফেলিপে ভ্যালেন্সিয়া বারিয়েন্তোস। ২০২৪ সালে অস্ট্রেলিয়া সফরের সময় পার্থ শহরের একটি নাইটক্লাবে অনুষ্ঠান শেষে এক নারী ভক্তকে হোটেল কক্ষে ধর্ষণ ও নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মোট ১০টি অভিযোগ আনা হয়েছিল। গত মাসে জুরি বোর্ড তিনটি ধর্ষণের অভিযোগে তাকে নির্দোষ ঘোষণা করে। একই সঙ্গে একটি হামলা এবং একটি শ্বাসরোধের অভিযোগ থেকেও তিনি খালাস পান।
তবে বাকি তিনটি ধর্ষণের অভিযোগে জুরি বোর্ড একমত হতে পারেনি। ফলে এসব অভিযোগে নতুন করে বিচার হবে।
এছাড়া দুটি হামলার অভিযোগে ইউং ফিলিকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। তবে নতুন বিচার শেষ হওয়ার আগে এসব অভিযোগে তার সাজা ঘোষণা করা হবে না।
কী ঘটেছিল পার্থে?
আদালতে বলা হয়, অস্ট্রেলিয়া সফরে থাকার সময় পার্থের উপকূলীয় এলাকা হিলারিসে একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন ইউং ফিলি। সেখানে এক ২০ বছর বয়সী নারী ভক্তের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরে ওই নারী তার হোটেল কক্ষে যান।
আদালতে ইউং ফিলি দাবি করেন, তাদের মধ্যে পারস্পরিক সম্মতিতে যৌন সম্পর্ক হয়েছিল। তার ভাষ্য অনুযায়ী, পরিচয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে ভালো বোঝাপড়া তৈরি হয়েছিল।
তবে ওই নারীর অভিযোগ, প্রথমে সম্মতিতে সম্পর্ক হলেও পরে ইউং ফিলি সহিংস হয়ে ওঠেন এবং থামার জন্য বারবার অনুরোধ করলেও তা উপেক্ষা করেন।
বিচার চলাকালে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ড্যানিয়েল ক্লার্ক অভিযোগ করেন, মাঝারি মাত্রার খ্যাতি থাকা সত্ত্বেও ইউং ফিলি নিজেকে অধিকারের অধিকারী মনে করতেন এবং ওই নারীকে অত্যন্ত গুরুতরভাবে নির্যাতন করেছেন।
অন্যদিকে ইউং ফিলির আইনজীবী দাবি করেন, অভিযোগকারীর বক্তব্যে অসংগতি রয়েছে এবং সেখানে অতিরঞ্জন ও মিথ্যা তথ্যও আছে।
ইউং ফিলি অবশ্য শুরু থেকেই তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
আগামী ২৭ আগস্ট জামিনের শর্ত পরিবর্তনের আবেদনের শুনানিতে আবার আদালতে হাজির হওয়ার কথা রয়েছে তার। তবে নতুন করে বিচারের দিন এখনো নির্ধারণ করা হয়নি। রাষ্ট্রপক্ষ জানিয়েছে, অভিযোগকারী নারী আবারও আদালতে সাক্ষ্য দিতে রাজি আছেন।
কলম্বিয়ায় জন্ম নেওয়া ইউং ফিলি পরে যুক্তরাজ্যে বেড়ে ওঠেন। তিনি ইউটিউবভিত্তিক দল বিটা স্কোয়াডের সদস্য হিসেবে পরিচিতি পান। এছাড়া তিনি যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন টেলিভিশন অনুষ্ঠানেও অংশ নিয়েছেন ও উপস্থাপনা করেছেন।
বিনোদন ডেস্ক